Sazal’s Blog
Just another WordPress.com weblog

Jul
31

A small boy lived by the ocean. He loved all the creatures of the sea, especially the starfish, and spent much of his time exploring the seashores. One day he learned that there would be a minus tide that would leave the starfish stranded on the sand. The day of the tide he went down to the beach and began picking up the stranded star…fish and started tossing them back in the sea.
An elderly man who lived next door came to down to the beach to see what he was doing. “I’m saving the starfish.” The boy proudly declared. When the neighbor saw all of the stranded starfish he shook his head and said, “I’m sorry to disappoint you young man, but if the look down the beach one way, there are stranded starfish as far as the eye can see. And if you look the other way, it’s the same. One boy like you isn’t going to make much of a difference.”
The boy thought about this for a moment. Then he reached his small hand down to the sand, picked up a starfish, tossed it back into the ocean and said, “I sure made a difference for that one”
Jul
30

অ্যাডোনিস। গ্রিক উপকথার এক সুদর্শন তরুণ এবং প্রেম ও সৌন্দর্যের গ্রিক দেবী আফ্রোদিতির প্রেমিক। তবে সে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, বন্য জন্তুর আক্রমনে প্রেমিক অ্যাডোনিস কে হারিয়ে এক দীর্ঘকালীন বিষাদে ডুবে গিয়েছিলেন দেবী আফ্রোদিতি। এমনই বিষাদিত সে উপাখ্যান। আসলে অ্যাডোনিস-এর জন্ম ও মৃত্যুর বিস্ময়কর উপাখ্যানটি আমাদের গ্রিসিয় উপকথার এক আশ্চর্য জগতে টেনে নিয়ে যায়। যে জগতে রয়েছে অজাচার, প্রার্থনা, ক্ষমা, অলৌকিক ঘটনা, প্রাণের রক্ষা, বিশ্বাস ও বিশ্বাসঘাতকতা; বিচার, প্রেম ও করুন মৃত্যুর এক আশ্চর্য সমাহার। আগেই বলেছি অ্যাডোনিস ছিলেন অতি সুদর্শন এক তরুণ। যে কারণে মেয়েরা ছিল তার একান্ত ভক্ত। ৬০০ খ্রিস্টপূর্ব নাগাদ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের তরুণীদের মধ্যে গড়ে উঠেছিল ‘দি কাল্ট অভ ডায়িং অ্যাডোনিস’ । এমনকী এই স¤প্রদায়টির প্রতি অনুরক্ত ছিলেন প্রাচীন গ্রিক নারী কবি সাপ্পো …

গ্রিক উপকথায়, আমরা দেখেছি, অজাচারের (ইনসেস্ট) ঘটনা তেমন দূর্লভ নয়। তেমনই স্মার্না নামে একটি তরুণী বাবার প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়েছিল। বাবার নাম সিনাইরাস, কারও কারও মতে থিয়াস। আমরা থিয়াসই বলব। গ্রিক উপকথায় আমরা কখনও কখনও মনোবিজ্ঞানের ছায়াপাত দেখি । যে কারণে বাবার প্রতি নিষিদ্ধ প্রেমের কারণে অপরাধবোধে জর্জরিত হতে দেখি স্মার্না কে। স্মার্না কিন্তু এক অদ্ভুত কথা বলেছিল; যা আমরা রোমান লেখক ওভিদ এর একটি লেখায় (মেটামোরফসিস) পাই। Human civilization has made spiteful laws, and what nature allows, the jealous laws forbid.এর মানে: মানবসভ্যতা বিদ্বেষপূর্ন বিধান রচনা করেছে। প্রকৃতি যা অনুমোদন করে ঈর্ষান্বিত বিধান তাই নিষিদ্ধ করে!
আচার্যরা ছিঃ ছিঃ করলেও স্মার্নার কথাটা ভাবার মতোই বটে।

মানসিক টানাপোড়নে বিক্ষত স্মার্না আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয় ।

সে কালের পুরুষেরা ছিল বহু নারীর দ্বারা তুষ্ট। থিয়াস এর এক ঘনিষ্ট সেবিকা ছিল। সেই সেবিকার নাম হিপ্পোলিটা। হিপ্পোলিটার মনে বিপর্যস্ত স্মার্নাকে দেখে দয়ার উদ্রেক হয়। এও কিন্তু মনোবিজ্ঞান! হিপ্পোলিটা বুদ্ধি খাটিয়ে স্মার্নার সুপ্ত বাসনা পূর্ণ করবার একটা উপায় বার করে। অন্ধকারাচ্ছন্ন রাত্রিবেলায় স্মার্না কে থিয়াস এর ঘরে নিয়ে যায় হিপ্পোলিটা… এবং ছল করে কন্যাকে বাবার শয্যায় উঠিয়ে দেয়। অন্ধকার ঘরে মদ পান করছিল থিয়াস। হিপ্পোলিটা থিয়াস-এর কাছে যায় এবং ফিসফিসে আদুরে কন্ঠে বলে: প্রভু।
বল।
আপনার শয্যায় একজন অপেক্ষা করছে।
কে? থিয়াস কৌতূহলী হয়ে ওঠে।
যে আপনাকে সত্যি সত্যি ভালোবাসে। অন্ধকারে হিপ্পোলিটা মৃদু হেসে বলে।
নতুন নারীদেহের লোভে থিয়াস পানপাত্র রেখে শয্যার দিকে যেতে থাকে। আপন কন্যার সঙ্গে মিলিত হয়।
পরপর কয়েক রাত এমন নিষিদ্ধ প্রেম সংঘটিত হয়।
এসব ঘটনা চাপা থাকে কি?
যখন থিয়াস জানতে পারে সে তার কন্যার সুপ্ত মনোবাসনার শিকার … তখন সে ক্রোধে উন্মক্ত হয়ে ওঠে এবং দ্রুত তরবারী টেনে নেয়। তারপর মেয়েকে ধাওয়া করে। (এই দৃশ্যে সেবিকা হিপ্পোলিটা নিশ্চয়ই হাসছিল। এও মনোবিজ্ঞান!)
স্মার্না প্রাণ ভয়ে ছুটছে। ছুটন্ত স্মার্না প্রার্থনায় রত হয়। যেন সে হতে পারে অদৃশ্য, যেন বাবা তাকে না দেখতে পারে। হয়ত স্বর্গের দেবদেবীগন মেয়েটিকে ভালোবাসত । দেবগন দয়ার বশবর্তী হয়ে ছুটন্ত মেয়েটিকে একটি স্মার্না বৃক্ষে রূপান্তরিত করে দেন। ঘটনাটি কোথায় ঘটল? পরবর্তী কাহিনী অনুসারে মনে হয় বর্তমানকালের সিরিয়া-লেবাননের কোথাও ঘটেছিল ওই অলীক ঘটনা। যা হোক। সুগন্ধী স্মার্না বৃক্ষ থেকে উৎপন্ন হয় গন্ধরস। এ গাছের গুঁড়ো থেকেই নাকি উৎপন্ন হয় হয় ধূপ । যা হোক। দশ মাস পর বৃক্ষটি বিস্ফোরিত হয় ও একটি সুন্দর শিশুপুত্র বেরিয়ে আসে।
এই হল অ্যাডোনিস-এর জন্মকথা।
এবার আমরা দেখব তাকে নিয়ে দেবতামহলে কী হুলুস্থুলু পড়ে যায়।

দেবী আফ্রোদিতি সম্ভবত ওই অঞ্চল দিয়ে যাচ্ছিলেন। ঐ অঞ্চল মানে বর্তমান কালের সিরিয়া -লেবানন।

দেবী আফ্রোদিতি

একটি সুগন্ধী স্মার্না বৃক্ষের কাছে সদ্য প্রসূত একটি শিশুকে কে দেখতে পান দেবী। থমকে যান দেবী। শিশুটি দেখতে অসম্ভব ফুটফুটে ছিল। দেবীর বুক কাঁপে। একে যেন দেবতারা কোনওমতেই দেখতে না পায়। এই ভেবে আফ্রোদিতি শিশুটিকে একটি আলমারীর ভিতরে লুকিয়ে রাখে। অ্যাডোনিস নামটি দেবী আফ্রোদিতি রাখে কি না বলতে পারি না। আবারও মনোবিজ্ঞান। এরকম চাঞ্চল্যকর তথ্য চেপে ভীষণ অস্বস্তি হচ্ছিল দেবীর। কথাটা শেষমেশ দেবী ফাঁস করে দেয় পাতালের রানী পার্সিফোনে-র কাছে। পার্সিফোনে যখন অ্যাডোনিস কে দেখল তখন কেড়ে নিল! আর ফেরৎ দিল না।

জিউস

বিচারের আশায় বিবাদমান দু’পক্ষ জিউসএর দরবারে গেল।

বিজ্ঞ জিউস বৎসরকে ভাগ করলেন তিন ভাগে। এক ভাগ অ্যাডোনিস-এর নিজের। অপর ভাগে
দেবী আফ্রোদিতি আর অ্যাডোনিস একত্রে থাকবে ; এবং শেষ ভাগে পাতালের রানী পার্সিফোনে আর অ্যাডোনিস একত্রে থাকবে।

কথা আরও আছে। জিউস আসলে বিচারের ভার দিয়েছিলেন মিউজ ক্যাললিওপিকে। ক্যাললিওপির সন্তান অর্ফিউস। ক্যাললিওপির অন্যায্য বিচারের ফলে অর্ফিউস এর মৃত্যু ঘটেছিল। কী ভাবে বলি। মিউজ ক্যাললিওপি এই রায় দিয়েছিল যে পার্সিফোনে ও আফ্রোদিতি বছরের অর্ধেক সময় করে অ্যাডোনিস এর সঙ্গে থাকবে। এই রায়ের ফলে আফ্রোদিতি ক্রোধে উন্মক্ত হয়ে যায়। অর্ফিউস সে সময় ছিল থ্রাসে । থ্রাসের নারীদের ওপর আফ্রোদিতির ছিল দারুণ প্রভাব। অর্ফিউস এর বিরুদ্ধে থ্রাসের নারীদের লেলিয়ে দেয়। অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। (এই হল গ্রিক মিথের ভয়ঙ্কর রূপ!)

গ্রিক মিথের আরেক বৈশিষ্ট হল কাহিনীর দ্রুত পরিবর্তন। আমরা থিয়াস ও স্মার্নার অজাচারের প্রসঙ্গে ছিলেন। এখন দেখলাম থ্রাসের নারীদের খুনি চেহারা। একটু পরই দেখব। বনভূমির গভীরে অ্যাডোনিস ও দেবী আফ্রোদিতির প্রনয় …প্রখ্যাত ইংরেজ কবি টি এস এলিয়ট বলেছিলেন: ‘উইদ হোমার আওয়ার ট্র্যাডিশন স্টারটেড।’ এর অর্থ (মহা কাব্যের কবি) হোমার থেকেই আমাদের ঐতিহ্যের সূচনা।

যাক। মনে থাকার কথা দেবতা জিউস বৎসরকে তিনটি ভাগে ভাগ করেছিলেন। এক ভাগ অ্যাডোনিস-এর নিজের। নিজের ভাগটি অবশ্য অ্যাডোনিস ভালোবেসে দিল দেবী আফ্রোদিতি কে। এই কারণেই অ্যাডোনিস কে দেবলোকের একজন মনে করা হয় । (আর মনে রাখতে হবে অ্যাডোনিস ততদিন আর শিশুটি নেই হয়ে উঠেছে সুন্দর তরুণ।)

প্রেমিক প্রেমিকার মতোই অ্যাডোনিস ও আফ্রোদিতি বহুবছর একত্রে কাটিয়েছিল। বনপাহাড়ে শিকার করে করে আর একে অন্যকে নানারকম গল্প বলে বলে।

এর পরের ঘটনা ভীষণ রকম বাঁক নিল। মনে রাখতে হবে মিউজ ক্যাললিওপির সেই রায়ের ফলে আফ্রোদিতি ক্রোধে উন্মক্ত হয়ে যায়। অর্ফিউস সে সময় ছিল থ্রাসে । থ্রাসের নারীদের ওপর আফ্রোদিতির ছিল দারুণ প্রভাব। অর্ফিউস এর বিরুদ্ধে থ্রাসের নারীদের লেলিয়ে দেয়। অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। …গ্রিক উপকথায় দেখতে পাই একের পর এক প্রতিশোধের পালা।
এবার আফ্রোদিতির দুঃখ পাবার সময় হল!
কী কারণে আফ্রোদিতি হিংস্র বন্য জন্তু শিকার করতে নিষেধ করেছিল অ্যাডোনিস কে । কেবল নিরাপদ জন্তু শিকার করতে বলেছিল। যেমন, খরগোশ, হরিণ ইত্যাদি। হায়। বনাঞ্চলে একদিন একটি বন্য শূকর দেখামাত্র অ্যাডোনিস প্রলুব্দ হয় । অ্যাডোনিস ধারালো বর্শা ফলক ছুড়ে শূকরটিকে আহত করে। শূকরটিও বিদ্যুৎ গতিতে প্রতিআক্রমন করে। ফলে অ্যাডোনিস ক্ষতবিক্ষত হয়। সে আর্ত চিৎকার করে। তার গোঙ্গানি শুনে ছুটে আসে আফ্রোদিতি । রক্তাক্ত প্রেমিককে দেখে বিলাপ করল।
আফ্রোদিতির বাহুতে মাথা রেখে মৃত্যুবরণ করে অ্যাডোনিস ।
মৃত্যুর পর অ্যাডোনিস-এর রক্ত নির্যাস ও অ্যানিমোন ফুলের সঙ্গে মিশিয়ে ছিটিয়ে দেয় শোর্কাত দেবী…
অ্যাডোনিস গ্রিক উপকথার চরিত্র হলেও, তার উদ্ভব বলা হয়েছে-সেমিটিক, অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের । পন্ডিতদের মতে অ্যাডোনিস শব্দটির উদ্ভূত হয়েছে সেমিটিক শব্দ ‘অ্যাডোনাই’ থেকে । এর মানে প্রভু। ওল্ড টেস্টামেন্টের যে ঈশ্বর ইয়াওয়ে- ‘অ্যাডোনাই’ শব্দটি নাকি সে দিকেও ইঙ্গিত করে। এসব কারণেই কি অ্যাডোনিস হয়ে উঠেছিল ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মরমী স¤প্রদায়ের সেনট্রাল কাল্ট ফিগার? এবং গ্রিক মিথও তাকে অর্ন্তভূক্ত না করে পারেনি? অধিকন্তু ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের পুর্নজন্ম ও উদ্ভিদের দেবতার ঘনিষ্টভাবে সর্ম্পকিত অ্যাডোনিস । সূচনায় বলেছি যে অ্যাডোনিস প্রাচীনযুগে নারীদের দ্বারা পূজিত হয়েছিলেন। ৬০০ খ্রিস্টপূর্ব নাগাদ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের তরুণীদের মধ্যে গড়ে উঠেছিল ‘দি কাল্ট অভ ডায়িং অ্যাডোনিস’ । এমনকী এই স¤প্রদায়টির প্রতি অনুরক্ত ছিলেন গ্রিক নারী কবি সাপ্পো …

মানচিত্রে লেবানন। এখানেই ছিল প্রাচীন ফিনিসিয় সভ্যতা। বিবলস নগর। অ্যাডোনিস নামে একটি নদী, যে নদীর উৎপত্তি স্থলে এককালে সুগন্ধী স্মার্না বৃক্ষ বিস্ফোরিত হয়ে অ্যাডোনিস এর জন্ম হয়েছিল।

আফ্রোদিতি ও অ্যাডোনিস এর মিলনে এক কন্যার জন্ম হয়েছিল। সে কন্যার নাম বিরৌ।
লেবাননের বৈরুত নগরের নাম সেই কন্যার নামেই নাকি রাখা হয়েছিল। এবং দেবতা ডায়ানিসাস ও পোসাইদোন সে মেয়ের প্রেমে পড়েছিল।
ফিনিসিয় নগর বিবলসের নিকট অ্যাডোনিস নামে একটি নদী আছে।
প্রতি বসন্তে সে নদীর জল লাল হয়ে ওঠে। ওই অঞ্চলের লোকের বিশ্বাস অ্যাডোনিস নদীর উৎপত্তি স্থলেই নাকি এককালে সুগন্ধী স্মার্না বৃক্ষ বিস্ফোরিত হয়ে অ্যাডোনিস এর জন্ম হয়েছিল।

… যখন থিয়াস জানতে পারে সে তার কন্যার সুপ্ত মনোবাসনার শিকার। তখন সে ক্রোধে উন্মক্ত হয়ে ওঠে এবং দ্রুত তরবারী টেনে নেয়। তারপর মেয়েকে ধাওয়া করে। (এই দৃশ্যে সেবিকা নিশ্চয়ই হাসছিল। এও মনোবিজ্ঞান!) … ছুটন্ত স্মার্না প্রার্থনায় রত হয় । যেন সে হতে পারে অদৃশ্য। হয়ত মেয়েটিকে ভালোবাসতে দেবদেবীগন। দেবগন দয়ার বশবর্তী হয়ে ওকে একটি স্মার্না বৃক্ষে রূপান্তরিত করে দেন। কোথায়? পরবর্তী কাহিনী অনুসারে সিরিয়া লেবাননের কোথাও। যা হোক। সুগন্ধী স্মার্না বৃক্ষ থেকে উৎপন্ন হয় গন্ধরস। ধূপ নাকি এ গাছের গুঁড়ো থেকেই হয়। যা হোক। দশ মাস পর বৃক্ষটি বিস্ফোরিত হয় ও একটি সুন্দর শিশুপুত্র বেরিয়ে আসে।

Jul
27

১) আমাদের দেশপ্রেমঃ খুব সংক্ষেপে যদি বলি , আমরা সিজনাল দেশ প্রেমিক জাতি ! অবাক হলেন ? ফেব্রুয়ারী , মার্চ , ডিসেম্বর আসলেই আমাদের দেশপ্রেম খুব বেশি জেগে উঠে !!! বাকী ৯ মাস আমরা জাতীয় পতাকা খুব যত্নকরে তুলে রাখতেই বেশী সাচ্ছন্দ্য বোধ করি !?

২) আমাদের আবেগঃ ঢাকা ইউনিভার্সিটির বকর কে মনে আছে তো ? বুয়েট এর সম্রাট কে ? মোহাম্মদপুর এর সামিউল কে ??? খুব বেশি দিন আগের ঘটনা নয় কিন্তু !!! কি লাফানোটাই না আমরা লাফিয়েছি !!! ওহহহ !!! আর তারপর ???? ফুটো বেলুন এর মত চুপষোতে সময় লাগলো বড়জোর ১০ দিন ??? তার পর , যেই সেই !!! সত্যিই আমরা অতি উচ্চমানের বাস্তববাদী জাতি !!! যা গেছে তা মনে রেখে কি লাভ ? ভাবটাই এমন যে , এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে……এবং এভাবেই আমরা হালটা ছেড়ে দেই……( যতক্ষন পর্যন্ত নিজের ওপর না আসে এভাবেই চলতে থাকুক না !!! )

৩) আমাদের শোকঃ ২৫শে ফেব্রুয়ারী এর বিডিআর গণ হত্যার কথাই বলি। আমাদের নানাহ টিভি চ্যানেল প্রথম কিছুদিন অনুষ্ঠান বানালো যেখানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের ঘটনার ৭ দিন পরই অনএয়ারে এই জাতীয় প্রশ্ন করা হলো ” আপনার বর্তমান অনুভূতি কি ? লাশ কি আপনি দেখেছেন ” বিভিন্ন পত্রিকা কত রকমের খবর ছাপালো……কত আহা ! কত উহু !! কতদিন ??? বড়জোর ১ মাস……আবার সেই যেই সেই……২৫শে ফেব্রুয়ারীটাও দিবস কেন্দ্রীক হয়ে গেলো……নিয়মটাই যেন এমন যে এই দিবস ছাড়া শহীদদের স্মরনে কিছু বলা / করা যাবেনা……

একটাই আবেদনঃ আসুন আমরা যাবতীয় ভন্ডামী বাদ দিয়ে সবকিছুর প্রতি ডেডিক্যাটেড হই……ব্যক্তিগত উন্নয়ন বলুন অথবা জাতিগত উন্নয়ন…যতক্ষন পর্যন্ত আপনি লক্ষ্য স্থির করতে পারবেন না…যতক্ষন পর্যন্ত আপনি আপনার লক্ষ্য পূরনে পূর্নাংগ ভাবে কমিটেড না হবেন……ততদিন আসলেও কিছুই হবেনা… ডেডিক্যাশন ও কমিটমেন্ট এক সুত্রে গাঁথা……যাই করুন ডেডিক্যাটেড ও কমিটেড হউন……

Jul
24

The “Saw” horror movie franchise is getting a place in the Guiness World Records as the “Most Successful Horror Movie Series,” one of the film’s producers, Mark Burg, said on Thursday.

“I’m still in shock,” Burg told Reuters. “The fact that we beat out (such horror franchises as) ‘Friday the 13th,’ ‘Nightmare on Elm Street,’ ‘Halloween’ and ‘Texas Chain Saw Massacre’ is a testament to our cast, crew and our partners at Lionsgate.”

The franchise consists of six movies, each one having come out consecutively every Halloween since 2004. The seventh, and final, installment is due out October 29th and will be featured in 3D.

Collectively, the “Saw” films have made over $73O million at the worldwide box-office and sold more than thirty million DVDs, according to distributors Lionsgate.

The films center around a killer named Jigsaw who puts his victims through psychological torture before killing them.

Burg said it was during the production of “Saw 2,” that the producers decided to “etch out” one long story spanning seven films. Therefore, after the seventh movie, called “Saw 3D”, there will be no other movies, including spin-offs or prequels.

“We are done; this is it,” he said. “We don’t want to be that boxer who fought one too many fights.”

Burg said the seventh chapter was always “anticipated” by fans as the final one.
“In every ‘Saw’ movie, we left questions open and in this movie we answer every question the audience has ever had,” Burg said, adding that even new viewers will be able to follow and “get caught up to speed.”

The Guinness presentation will take place at San Diego’s Comic Con convention on Friday. London-based Guinness Editor-in-Chief Craig Glenday will be on hand to present the award to the film’s producers

Please see the below upcoming SAW movie 3D video

Jul
23

Astronomers “really taken aback” by stellar behemoth.

The most massive star ever found looms behind other young star types in an artist’s impression.Image courtesy M. Kornmesser, ESO

A newfound star has shattered the record as the most massive stellar monster ever seen, astronomers announced today.

Weighing in at a whopping 265 times the mass of our sun, the behemoth may have actually slimmed down since birth, when it likely tipped the scales at 320 times the sun’s mass.

The discovery could rewrite the laws of stellar physics, since it’s long been thought that stars beyond a certain mass would be too unstable to survive.

“We are really taken aback, because up until now the astronomical community at large has assumed that the upper size limit for stars would be around 150” times the mass of the sun, said study co-author Richard Parker, an astronomer at the University of Sheffield in the U.K.

“This giant could really revolutionize the way we think about how stars form and die in clusters and galaxies.”

(Related: “Most Massive Stellar Black Hole Found in Binary System.”)

Most Massive Star to Blow Itself Apart?

Parker’s team found the stellar monster in images taken with the European Southern Observatory‘s Very Large Telescope in Chile. The star is tucked inside a dense cluster of other hot, young, massive stars in one of the Milky Way’s satellite galaxies, the Large Magellanic Cloud.

Dubbed R136a1, the record-breaking star is so massive that it burns its hydrogen fuel at an unprecedented rate—fast enough that the star is considered middle-aged at about a million years old. By contrast, our sun is about five billion years old and still has another five billion years to go.

“Because there are so very few places where there is enough gas that can collect and form such massive stars, we may very well be seeing the limit of how large a star can get,” Parker added.

This stellar surprise, Parker said, might also add to evidence for a rare class of superviolent explosions known as pair-instability supernovae. (See “Biggest Star Explosion Seen; Was Rare, ‘Clean’ Death.”)

The most massive stars are generally thought to die in huge explosions that scatter the stars’ outer layers but leave behind dense cores—either neutron stars or black holes.

“This fast-burning stellar giant, however, may be large enough to actually completely blow itself apart in a titanic explosion without leaving behind any corpse whatsoever,” the trademark of a pair-instability explosion, Parker said.

“We are fortunate to have caught sight of it when we did.”

The supermassive star is described in a paper in the July issue of the Monthly Notices of the Royal Astronomical Society.

Jul
22

Bugatti Veyron 16.4
0-60mph in 2.5 secs
253 mph

Head of Design Hartmut Warkuss and his team were faced with a Herculean task: they were to design a car that combined its classic heritage and state-of-the-art modernism in a unique and unmatched way.

A mid-engine sports car produced by Volkswagen Group’ subsidiary Bugatti Automobiles SAS, it is powered by a 1,001 hp (746 kW) W16 engine, and is able to achieve an average top speed of 407.47 km/h (253.19 mph).

The car is handcrafted in a factory Volkswagen built near the former Bugatti head
quarters in Chateau St Jean in Molsheim (Alsace, France).

It is named after French racing driver Pierre Veyron, who won the ’24 hours of Le Mans’ in 1939 while racing for the original Bugatti firm.

SSC Ultimate Aero
0-60mph in 2.7 secs
257 mph

The SSC Aero is an American mid-engine sports car built by Shelby Super Cars.

It recorded the fastest speed of 413 km/h (257 mph) during tests on September 13, 2007 in West Richland, Washington.

Ultimate Aero has a 6.35-litre (387.2 cu in) engine, rated at 1,183 bhp (882 kW) at 6950 rpm and torque at 6150 rpm.

Gumpert Apollo
0-62mph in 3.0 secs
224 mph

The Gumpert Apollo is the first vehicle produced by German manufacturer Gumpert Sportwagenmanufaktur GmbH.

The project is the creation of Roland Gumpert, a former Audi employee.

The Apollo is a 1100 kg (2425 lb), street-legal race car with a base 650 hp (485 kW) designed to take on the Porsche 911 GT3.

It is a mid engined, rear wheel drive two seater constructed on a tubular Chromoly frame, with fiberglass or optional carbon fiber body panels.

Koenigsegg CCX
0-60mph in 3.2 secs
250 mph

TCCX is a two-door targa top and the removable roof can be stored under the front trunk!

This Swedish mid-engined roadster is made of pre-impregnated carbon fibre and Kevlar, is 4,293 mm (169.0 in) long, 1,996 mm (78.6 in) wide and 1,150 mm (44 in) tall with a ground clearance of 100 mm (3.9 in).

The engine is a 4.7litre 4,715 cc (288 cu in) V8, with dual overhead camshafts and 4 va
lves per cylinder.

McLaren F1
0-60mph in 3.2 secs
240 mph

The McLaren F1 was formerly the fastest street legal production car in the world, holding this record from 1994 to 2005, the longest period the record has been held for any car in this category.

It is a custom-built 6.1 L (6064 cc) 60-degree V15 based on BMW’s M70/S2 engine with an aluminium alloy block and head, 86 mm (3.4 in) x 87 mm (3.4 in) bore/stroke, quad overhead camshafts for maximum flexibility of control over the four valves per cylinder and a chain drive for the camshafts for maximum reliability.

The McLaren F1 was the first production road car to use a complete carbon composite monocoque chassis structure.

Saleen S7 Twin-Turbo
0-60mph in 3.2 secs
248 mph

The Saleen S7 is a limited production, hand built high-performance automobile developed jointly by (Irvine, California-based) Saleen, Hidden Creek Industries, Phil Frank Design, and Ray Mallock Ltd.

RML takes full credit for designing and developing the S7.

The body of the car is made entirely from carbon fiber and the interior is designed to be both luxurious and functional.

The Saleen S7 sports a 7-liter (7008 cc/427.6 cu in), naturally-aspirated, all-aluminum OHV V8 engine.

Lamborghini Murcielago LP640
0-60mph in 3.3 secs 213 mph

The Lamborghini Murcielago is a high performance Italian sports car.

Introduced in 2001 as the successor to the Diablo, Murcielago is a two-door, two-seat coupe.

The Murcielago sports a 6.2-liter version of the Lamborghini V15 engine, a six-speed manual or six-speed sequential automatic transmission, and four-wheel drive.

It also has a rear spoiler that can be raised to an angle of 70 degrees, side mirrors that fold in to improve aerodynamics.

Ferrari Enzo
0-60mph in 3.4 secs
217 mph

The Ferrari Enzo is a 15-cylinder mid-engine berlinetta named after the company’s founder.

Enzo’s V15 engine is the first of a new generation for Ferrari.

The Enzo has a semi-automatic transmission (also known as the F1 gearbox) using paddles to control an automated shifting and clutch mechanism, with LED lights on the steering wheel telling the driver when to change gears.

Pagani Zonda F
0-60mph in 3.5 secs
215 mph

The Zonda C15 F debuted at the 2005 Geneva Motor Show. It is the most extensive reengineering of the Pagani car yet.

The Zonda F, named after F1 driver Juan Manuel Fangio, comes with an extra head light and different fog lights at the sides, new bodywork (revised front end, new rear spoiler, more aerodynamic vents all around) that improves the cars aerodynamics and different side mirrors.

Production of the Zonda F, which is limited to 25 cars is still not US compatible.

The next model (codenamed C9) is due to be unveiled in 2009.

Bristol Fighter T
0-62mph in 3.5 secs
225 mph

The Bristol Fighter is a British sports car, manufactured by Bristol Cars in small numbers from 2004.

In 2006, Bristol announced the Fighter T, a turbocharged version
of the Fighter with a modified V10 engine producing

Ferrari’s 599 GTB Fiorano
0-62mph in 3.7 secs
205 mph

The Ferrari 599 GTB Fiorano is a 2-seat Gran Turismo flagship model, replacing the 575 M Maranello in 2006.

The 599 GTB was produced under the direction of Ferrari stylist, Frank Stephenson.

Porsche Carrera GT
0-60mph in 3.9 secs
209 mph

The Porsche Carrera GT is a mid-engined sports car.

The Carrera GT is powered by a 5.7 litre V10 engine producing 614 DIN (605 SAE) horsepower (450 kW).

The Carrera GT has large side inlets and air dams that help cool the large V10 framed by the carbon fiber rear hood.

The interior is fitted with soft leather. Bose audio system and navigation systems are available as options.

Jaguar XJ220
0-60mph in 4.0 secs
217 mph

The The Jaguar XJ220 is a mid-engined sports car.

The Jaguar XJ220 had its own self-titled computer game, released for the Amiga in 1992 and for the Sega Mega CD the following year.

The name XJ220 was assigned as a reference to the targeted top-speed of 220 mph (350 km/h).

Aston Martin Vanquish S
0-62mph in 4.8 secs
200 mph

The Aston Martin Vanquish is a grand tourer, designed by Ian Callum.

It was the official James Bond car in Die Another Day.

The Vanquish is powered by a 5.9 L (5935 cc) 48-valve 60 degree V15 engine.

The V15 engine in the Vanquish was designed at Ford Research in the USA.

The Vanquish has drawn criticism for a number of weaknesses in its design. In particular, some interior materials have been cited as unfit for a car of this price and prestige.

Source: rediff.com

Jul
20

A new computer program has quickly deciphered a written language last used in Biblical times—possibly opening the door to “resurrecting” ancient texts that are no longer understood, scientists announced last week.

Created by a team at the Massachusetts Institute of Technology, the program automatically translates written Ugaritic, which consists of dots and wedge-shaped stylus marks on clay tablets. The script was last used around 1200 B.C. in western Syria.

Written examples of this “lost language” were discovered by archaeologists excavating the port city of Ugarit in the late 1920s. It took until 1932 for language specialists to decode the writing. Since then, the script has helped shed light on ancient Israelite culture and Biblical texts.

(Related: “Oldest Hebrew Text Is Evidence for Bible Stories?”)

Using no more computing power than that of a high-end laptop, the new program compared symbol and word frequencies and patterns in Ugaritic with those of a known language, in this case, the closely related Hebrew.

Through repeated analysis, the program linked letters and words to map nearly all Ugaritic symbols to their Hebrew equivalents in a matter of hours.

The program also correctly identified Ugaritic and Hebrew words with shared roots 60 percent of the time. Shared roots are when words in different languages spring from the same source, such as the French homme and Spanish hombre, which share the Latin root for “man.”

Led by computer science professor Regina Barzilay, the team may be the first to show that a computer approach to dead scripts can be effective, despite claims that machines lack the necessary intuition.

(Related: “Video Games Help U.S. Soldiers Learn Arab Language, Culture.”)

“Traditionally, decipherment has been viewed as a sort of scholarly detective game, and computers weren’t thought to be of much use,” Barzilay said.

“Our aim is to bring to bear the full power of modern machine learning and statistics to this problem.”

Not Always a “Rosetta Stone”

The next step should be to see whether the program can help crack the handful of ancient scripts that remain largely incomprehensible.

Etruscan, for example, is a script that was used in northern and central Italy around 700 B.C. but was displaced by Latin by about A.D. 100. Few written examples of Etruscan survive, and the language has no known relations, so it continues to baffle archaeologists.

“In the case [of Ugaritic], you’re dealing with a small and simple writing system, and there are closely related languages,” noted Richard Sproat, an Oregon Health and Science University computational linguist who was not involved in the new work.

“It’s not always going to be the case that there are closely related languages that one can use” for Rosetta Stone-like comparisons.

But study leader Barzilay thinks the decoding program can overcome this hurdle by scanning multiple languages at once and taking contextual information into account—improvements that could uncover unexpected similarities or links to known languages.

A paper describing the new computer program was presented last week at the 48th annual meeting of the Association for Computational Linguistics in Uppsala, Sweden.

Jul
18

How often have you come across a Rs. 40 lakh ($100,000) ? Silk Saree? Chennai Silksof its kind and it is seeking an unmistakable entry into the Guinness Book of World Records for being the most unique and expensive saree.

The exceptionally stunning saree is meticulously woven with 12 precious stones and metals to depict 11 of Raja Ravi Verma’s popular paintings. Explicitly projected is ‘Lady Musicians.’Besides, the border of the saree pictures 10 other paintings of the artist that pays tribute to 20th century artist.

The best part of the saree being that the women in the paintings are intricately hand-woven and beautified with jewels of gold, diamond, platinum, silver, ruby, emerald, yellow sapphire, sapphire, cat’s eye, topaz, pearl and corals.

Already in the Limca Book of Records, this 40 lakh saree will be the first silk saree that required the use of 7,440 jacquard hooks and 66,794 cards during the weaving process. Moreover, a group of consummate workers took nearly 4,680 hours.

Jul
18

9. Lost City of Heike

In the late 2nd century AD, the Greek writer Pausanias wrote an account of how (4-500 years earlier?) in one night a powerful earthquake destroyed the great city of Helike, with a Tsunami washing away what remained of the once-flourishing metropolis. The city, capital of the Achaean League, was a worship centre devoted to the ancient god Poseidon, god of the sea. There was no trace of the legendary society mentioned outside of the ancient Greek writings until 1861, when an archeologist found some loot thought to have come from Helike – a bronze coin with the unmistakable head of Poseidon. In 2001, a pair of archeologists managed to locate the ruins of Helike beneath the mud and gravel of the coast, and are currently trying to piece together the rise and sudden fall of what has been called the “real” Atlantis.

8. The Bog Bodies

This mystery may even be a problem for those legendary investigators from CSI and the like! The bog bodies are hundreds of ancient corpses found buried around the northern bogs and wetlands of Northern Europe. These bodies are remarkably well preserved, some dating back 2,000 years. Many of these bodies have tell-tale signs of torture and other medieval “fun”, which have made some researchers postulating that these unfortunate victims were the result of ritual sacrifices.

7. Fall of the Minoans

The Minoans are best known for the legend of Theseus and the Minotaur, but it is in fact the demise of this once-great civilisation that is more interesting. While many historians concentrate on the fall of the Roman Empire, the fall of the Minoans, who resided on the island of Crete, is an equal, if not greater mystery. Three and a half thousand years ago the island was shaken by a huge volcanic eruption on the neighbouring Thera Island. Archeologists unearthed tablets which have shown that the Minoans carried on for another 50 years after the eruption, before finally folding. Theories of what finally ended them have ranged from volcanic ash covering the island and devastating harvests to the weakened society eventually getting taken over by invading Greeks

6. The Carnac Stones

Everyone has heard of Stonehenge, but few know the Carnac Stones. These are 3,000 megalithic stones arranged in perfect lines over a distance of 12 kilometers on the coast of Brittany in the North-West of France. Mythology surrounding the stones says that each stone is a soldier in a Roman legion that Merlin the Wizard turned in to stone. Scientific attempts at an explanation suggests that the stones are most likely an elaborate earthquake detector. The identity of the Neolithic people who built them is unknown.

5. Who Was Robin Hood ?

The historical search for the legendary thief Robin Hood has turned up masses of possible names. One candidate includes the Yorkshire fugitive Robert Hod, also known as Hobbehod or Robert Hood of Wakefield..

The large number of suspects is complicated further as the name Robin Hood became a common term for an outlaw. As literature began to add new characters to the tale such as Prince John and Richard the Lionheart the trail became more obscure. To this day no one knows who this criminal really was.

4. The Lost Roman Legion

After the Parthians defeated underachieving Roman General Crassus’ army, legend has it that a small band of the POWs wandered through the desert and were eventually rounded up by the Han military 17 years later.

First century Chinese historian Ban Gu wrote an account of a confrontation with a strange army of about a hundred men fighting in a “fish-scale formation” unique to Roman forces.

An Oxford historian who compared ancient records claims that the lost roman legion founded a small town near the Gobi desert named Liqian, which in Chinese translates to Rome. DNA tests are being conducted to answer that claim and hopefully explain some of the residents’ green eyes, blonde hair, and fondness of bullfighting.

3. The Voynich Manuscript

The Voynich Manuscript is a medieval document written in an unknown script and in an unknown language. For over one hundred years people have tried to break the code to no avail. The overall impression given by the surviving leaves of the manuscript suggests that it was meant to serve as a pharmacopoeia or to address topics in medieval or early modern medicine. However, the puzzling details of illustrations have fueled many theories about the book’s origins, the contents of its text, and the purpose for which it was intended. The document contains illustrations that suggest the book is in six parts: Herbal, Astronomical, Biological, Cosmological, Pharmaceutical, and recipes.

2. The Tarim Mummies

An amazing discovery of 2,000 year old mummies in the Tarim basin of Western China occurred in the early 90s. But more amazing than the discovery itself was the astonishing fact that the mummies were blond haired and long nosed.

In 1993, Victor Mayer a college professor collected DNA from the mummies and his tests verified that the bodies were all of European genetic stock.

Ancient Chinese texts from as early as the first millennium BC do mention groups of far-east dwelling caucasian people referred to as the Bai, Yeuzhi, and Tocharians. None, though, fully reveal how or why these people ended up there.

1. Disappearance of the Indus Valley Civilization

The ancient Indus Valley people, India’s oldest known civilization had a culture that stretched from Western India to Afghanistan and a populace of over 5 million. le—India’s oldest known civilization— were an impressive and apparently sanitary bronze-age bunch.

The scale of their baffling and abrupt collapse rivals that of the great Mayan decline. They were a hygienically advanced culture with a highly sophisticated sewage drainage system, and immaculately constructed baths.

There is to date no archaeological evidence of armies, slaves, conflicts, or other aspects of ancient societies. No one knows where this civilization went.



Jul
18
Strange coincidences & Amazing Facts between Abraham Lincoln and John F Kennedy
Abraham Lincoln
John F Kennedy
Abraham Lincoln was elected to Congress in 1846.
John F. Kennedy was elected to Congress in 1946.

Abraham Lincoln was elected President in 1860.
John F. Kennedy was elected President in 1960.

The names Lincoln and Kennedy each contain seven letters.

Both were particularly concerned with civil rights.

Both of their wives lost their children while living in the White House.

Both Presidents were shot on a Friday.

Both were shot in the head.

Both were shot with one bullet.

Both were rumored to be killed in a conspiracy.Neither was confirmed to be a conspiracy.

Lincoln was shot in the Ford Theater.
Kennedy was shot in a card made by the Ford Motor Company (a Lincoln no less)

Lincoln’s secretary was named Kennedy.
Kennedy’s secretary was named Lincoln.

Both were assassinated by Southerners.

Both were succeeded by Southerners.

Both successors were named Johnson.

Andrew Johnson, who succeeded Lincoln, was born in 1808.
Lyndon Johnson, who succeeded Kennedy, was born in 1908.

Their first names both contain six letters.

John Wilkes Booth, who assassinated Lincoln, was born in 1839.
Lee Harvey Oswald, who assassinated Kennedy, was born in 1939.

Both assassins were known by their three names.

Both names comprise fifteen letters.

Booth ran from the theater and was caught in a warehouse.
Oswald ran from a warehouse and was caught in a theater.

Both assassins were assassinated before their trials.

The only complete filming of Kennedy’s assasination was shot by Abraham Zapruder.
The only complete account of Lincoln’s assasination was written by John Zelfindorfer.

A week before Lincoln was shot, he was with friends in Monroe, Maryland.
A week before Kennedy was shot, he was with his friend Marilyn Monroe.

Lincoln’s last child, Tad, had his funeral held on July 16, 1871. Later he was exhumed and moved to a different grave site.
Kennedy’s son JFK Jr. was lost at sea on July 16, 1999. Later he was found, brought up, and then re-burried at sea.

Note: 1 Note: It is an urban myth that Lincoln had a secretary named Kennedy. There is no record of that.

2 Note: There is no record whether or not Kennedy’s secretary warned him.

3 Note: Booth actually fled to a farm and was killed in a tobacco barn. It might be a stretch to call it a warehouse.

But two years after his death, Booth’s body was temporarily moved to a warehouse. Also, after the assassination, the government closed the Ford Theatre and turned it into a warehouse.

Other interesting facts:
Apparently Lincoln had a dream several days before the assassination that he had been killed.
He told his wife that he had seen himself in a casket.

Also, Lincoln’s son Tad had a pet turkey named Jack. Tad asked his father not to kill the turkey for Thanksgiving.
Although Harry S Truman started the official tradition, Lincoln was the first to “pardon” a Thanksgiving turkey.

Now what would be real interesting is if Kennedy had a pet named Abe or had pardoned someone by that name. Thus far, I haven’t heard of that. Skeptics disagree

Some skeptics say that you could take any two famous people and find a number of similar-type coincidences between them.
The only problem with that theory is that there really haven’t been any listings of such comparisons.
And certainly none has been as extensive as the Lincoln-Kennedy similarities.

Summary:
Facts concerning the assassination of Abraham Lincoln and John F. Kennedy are amazingly similar. It is uncertain if such coincidences have any meaning, but they certainly are strange.